পেনাল্টি মিসে কেইনের আনন্দ ম্লান, শেষ মুহূর্তের গোলে
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
Comment
কেইনের পেনাল্টি মিস, তবু গোলের ব্যবধান বাড়াতে পারেনি বায়ার্ন
ব্যালন ডি’অর জয়ের আনন্দ নিয়ে ঘরের মাঠে ডার ক্লাসিকারে নেমেছিল বায়ার্ন মিউনিখ। ম্যাচ শুরুর আগে সমর্থকদের সামনে ব্যক্তিগত এই অর্জন উদ্যাপনও করেন ইংল্যান্ডের তারকা ফরোয়ার্ড হ্যারি কেইন। কিন্তু মাঠের লড়াইয়ে সেই আনন্দ ধরে রাখতে পারেনি বাভারিয়ানরা। কেইনের পেনাল্টি মিসের পর শেষ দিকে ফ্যাবিও সিলভার গোলে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের সঙ্গে ২-২ ব্যবধানে ড্র করেছে তারা।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) মিউনিখের অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমে এগিয়ে যায় বায়ার্ন। ৩৮ মিনিটে কনরাড লাইমারের গোলে স্বাগতিকরা লিড নেয়। এর আগে ডর্টমুন্ডের জোবে বেলিংহামের একটি গোল ভিএআরের সিদ্ধান্তে বাতিল হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পায় বায়ার্ন। ৫৬ মিনিটে পেনাল্টি পায় দলটি। ব্যালন ডি’অর জয়ের পর নিজের প্রথম ম্যাচে গোল করে সপ্তাহটি স্মরণীয় করে রাখার সুযোগ ছিল কেইনের সামনে। কিন্তু তাঁর নেওয়া শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।
এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৬০ মিনিটে সমতায় ফেরে ডর্টমুন্ড। সেরহু গুইরাসি গোল করে ম্যাচে ফেরান সফরকারীদের। তবে চার মিনিট পরই আবার এগিয়ে যায় বায়ার্ন। কেইনের সহায়তায় ৬৬ মিনিটে গোল করেন ডায়োট উপামেকানো।
শেষ মুহূর্তে সিলভার গোলে পয়েন্ট ভাগাভাগি
ম্যাচের শেষ দিকে জয় ধরে রাখার চেষ্টা করছিল বায়ার্ন। কিন্তু ৮৯ মিনিটে ফ্যাবিও সিলভার গোলে সমতায় ফেরে ডর্টমুন্ড। শেষ পর্যন্ত আর কোনো দল গোল করতে না পারায় ২-২ ব্যবধানে শেষ হয় ডার ক্লাসিকো।
এই ড্রয়ের ফলে এককভাবে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে ওঠার সুযোগ হারিয়েছে দুই দলই। আট ম্যাচ শেষে উভয়ের সংগ্রহ ১৮ পয়েন্ট। গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে বায়ার্ন মিউনিখ, আর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ডর্টমুন্ড।
ইনজুরিতে চিন্তায় বায়ার্ন
ম্যাচের ফলের পাশাপাশি একাধিক খেলোয়াড়ের চোটও বায়ার্নের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। প্রথমার্ধে ডর্টমুন্ড গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেলের সঙ্গে সংঘর্ষে ডান পায়ে চোট পান ইসমাইল সাইবারি। পরে দুইজনের সহায়তায় মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে।
এর কিছুক্ষণ পরই চোটের কারণে মাঠ ছাড়েন সার্জ গিন্যাব্রি। ম্যাচের শেষ দিকে মাইকেল ওলিসেকেও অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়তে দেখা যায়। ফলে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের শারীরিক অবস্থা নিয়ে নতুন করে দুশ্চিন্তায় পড়েছে বায়ার্ন।
এদিকে অসুস্থতার কারণে ডাগআউটে ছিলেন না দলের প্রধান কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি। ভাইরাল সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর তিনি বাড়ি ফিরলেও পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে সহকারী কোচ অ্যারন ড্যাঙ্কস দায়িত্ব পালন করেন।
সব মিলিয়ে ব্যক্তিগত অর্জনের উদ্যাপন, পেনাল্টি মিস, একাধিক ইনজুরি এবং শেষ মুহূর্তের সমতাসূচক গোলে বায়ার্নের জন্য হতাশার ম্যাচ হয়ে থাকল ডার ক্লাসিকো।
0 Response to "পেনাল্টি মিসে কেইনের আনন্দ ম্লান, শেষ মুহূর্তের গোলে"
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন