গ্যাবনকে হারিয়ে ফিফা অ-১৫ ফেস্টিভ্যালের ফাইনালে বাংলাদেশ
আটজনের দলের এই প্রতিযোগিতায় প্রতি ম্যাচে দুই অর্ধে ২০ মিনিট করে খেলা হয়। সংক্ষিপ্ত সময়ের ম্যাচে শুরু থেকেই গোলের সুযোগ কাজে লাগানো গুরুত্বপূর্ণ। গ্যাবনের বিপক্ষে রাতুলের গোলটি শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের জয়ের ব্যবধান গড়ে দেয়।
মন্টেনেগ্রোর বিপক্ষেও বড় জয়
সেমিফাইনালের আগে একই দিনে মন্টেনেগ্রোকে ৪-০ গোলে হারিয়ে পরবর্তী পর্বে জায়গা করে নেয় বাংলাদেশ। পরপর দুই ম্যাচে জয় পাওয়ায় প্রতিযোগিতার শেষ পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে দলটি।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ‘ই’ গ্রুপে চারটি ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ। এর আগে প্রাথমিক পর্বে দলটি ‘সি’ গ্রুপে পঞ্চম স্থান অর্জন করে। প্রতিযোগিতার কাঠামো অনুযায়ী, প্রাথমিক পর্বের ফলাফলের ভিত্তিতে দলগুলোকে পরবর্তী ধাপে বিভিন্ন স্তরে ভাগ করা হয়। ফলে পরের পর্বে ‘ই’ গ্রুপে খেলার বিষয়টি আগের গ্রুপের অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়।
ফিফার ব্যতিক্রমী আয়োজন
ফিফা অ-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যাল ২০২৬-এর আয়োজন হচ্ছে আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে। এতে ১৮৯টি দেশের দল অংশ নিচ্ছে। প্রতিযোগিতাটি তরুণ ফুটবলারদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জন এবং বিভিন্ন দেশের দলের সঙ্গে খেলার সুযোগ তৈরির লক্ষ্য নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে।
এই আসরে আটজনের দল নিয়ে খেলা হয় এবং প্রতিটি ম্যাচে দুই অর্ধে ২০ মিনিট করে সময় নির্ধারিত। প্রতিযোগিতার কাঠামোয় ছয়টি স্তরে বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে। ফলে দলগুলো প্রাথমিক পর্বের ফল অনুযায়ী বিভিন্ন স্তরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যেতে পারে।
গ্যাবনের বিপক্ষে জয়ের পর এখন ফাইনালে বাংলাদেশের সামনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। রাতুলের গোল এবং দলের ধারাবাহিক জয় কিশোর ফুটবলারদের এই আন্তর্জাতিক আসরে বাংলাদেশের অর্জনকে আরও এগিয়ে নিয়েছে
0 Response to "গ্যাবনকে হারিয়ে ফিফা অ-১৫ ফেস্টিভ্যালের ফাইনালে বাংলাদেশ"
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন