উল্লাপাড়ায় ১১ শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে জালিয়াতির অভিযোগ, ১৮ অক্টোবর শুনানি
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বিনায়েকপুর দাখিল মাদ্রাসায় ১১ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে বিধিবহির্ভূত কর্মকাণ্ড ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের বিষয়ে আগামী ১৮ অক্টোবর শুনানির দিন নির্ধারণ করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। শুনানিতে মাদ্রাসার সুপারসহ সংশ্লিষ্ট ১২ জনকে প্রয়োজনীয় মূল কাগজপত্র ও প্রমাণাদিসহ উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিদর্শন (রাজশাহী) শাখার জারি করা এক চিঠিতে শুনানির এ তথ্য জানানো হয়। চিঠি অনুযায়ী, ১৮ অক্টোবর রোববার বেলা ১১টায় অধিদপ্তরের পরিদর্শক (রাজশাহী)-এর কক্ষে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
শুনানিতে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে বিনায়েকপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. আব্দুস সামাদ, এবতেদায়ী ক্বারী মো. আশরাফুল ইসলাম, এবতেদায়ী প্রধান মো. আলমগীর কবির এবং অফিস সহকারী মো. আনোয়ার হোসেনকে। এ ছাড়া জুনিয়র শিক্ষক মো. আব্দুল গফুর, জুনিয়র মৌলভী মো. আব্দুল মান্নান, সহকারী শিক্ষক (কৃষি) মো. হুজ্জাতুল কুদ্দুস ও অফিস সহায়ক মো. ছাইদুর রহমানকে শুনানিতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালিকায় আরও রয়েছেন সহকারী শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম, সহকারী মৌলভী মো. আলী হাসান আনছারী, সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) মো. সাইফউদ্দিন এবং সহকারী মৌলভী মো. আব্দুস সালাম। তাঁদের সবাইকে অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় মূল নথিপত্র ও অন্যান্য প্রমাণাদি সঙ্গে নিয়ে নির্ধারিত সময়ে শুনানিতে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিদর্শক (রাজশাহী) জি এম শামছুল আলম স্বাক্ষরিত চিঠিতে অভিযোগের সূত্র হিসেবে অধিদপ্তরের ৩০ আগস্টের একটি নথির উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিঠির অনুলিপি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের একান্ত সচিব, সিরাজগঞ্জের জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উল্লাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং মাদ্রাসার সভাপতির কাছেও পাঠানো হয়েছে।
নির্ধারিত শুনানিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, উপস্থাপিত নথিপত্র ও প্রমাণাদি পর্যালোচনা করে অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। তবে শুনানির আগেই অভিযোগগুলোর সত্যতা সম্পর্কে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। ফলে নিয়োগসংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে অধিদপ্তরের শুনানি ও পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে নজর রয়েছে।
0 Response to "উল্লাপাড়ায় ১১ শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে জালিয়াতির অভিযোগ, ১৮ অক্টোবর শুনানি"
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন